গণ অধিকার পরিষদের সদস্য হোন

দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নিন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখুন এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে যুক্ত হন।

২,০০,০০০+ সক্রিয় সদস্য
৬৪ জেলায় সংগঠন
৪৯০ উপজেলা ইউনিট
৬+ অঙ্গসংগঠন

সদস্যপদের সুবিধা

গণ অধিকার পরিষদের সদস্য হিসেবে আপনি যে সকল সুবিধা ও অধিকার ভোগ করবেন

ভোটাধিকার

দলের সকল নির্বাচনে ভোট দেওয়া ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার

  • কমিটি নির্বাচনে ভোটাধিকার
  • নিজে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ
  • নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ

প্রশিক্ষণ

নেতৃত্ব উন্নয়ন ও রাজনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ

  • নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মশালা
  • রাজনৈতিক শিক্ষা সেশন
  • কমিউনিকেশন স্কিল ট্রেনিং
  • ডিজিটাল লিডারশিপ প্রশিক্ষণ

নেটওয়ার্কিং

দেশব্যাপী রাজনৈতিক ও পেশাদার নেটওয়ার্কে সংযুক্তি

  • জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের সাথে যোগাযোগ
  • জেলা ও উপজেলা কমিটির সভা
  • বিশেষ ইভেন্ট ও সম্মেলনে অংশগ্রহণ
  • অনলাইন কমিউনিটিতে সদস্যপদ

সদস্যপদের প্রকার

আপনার অবস্থান ও আগ্রহ অনুযায়ী সদস্যপদের প্রকার নির্বাচন করুন

সাধারণ সদস্য

১০০টাকা/বার্ষিক
  • মৌলিক সদস্য অধিকার
  • স্থানীয় কমিটি সভায় অংশগ্রহণ
  • দলীয় প্রকাশনা প্রাপ্তি
  • অনলাইন সদস্যপদ কার্ড
  • বার্ষিক রিপোর্ট প্রাপ্তি

সম্মানিত সদস্য

১,০০০টাকা/বার্ষিক
  • সকল সক্রিয় সদস্য সুবিধা
  • জাতীয় কমিটি সভায় আমন্ত্রণ
  • বিশেষ উপদেষ্টা প্যানেল সদস্য
  • উন্নত প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম
  • অনুষ্ঠানে বিশেষ আসন বরাদ্দ
  • সনদপত্র ও সম্মাননা

সদস্য হোন ৪টি সহজ ধাপে

সম্পূর্ণ অনলাইন প্রক্রিয়ায় সদস্য হোন। সরাসরি যোগাযোগেরও সুযোগ রয়েছে।

ফর্ম পূরণ করুন

নিচের অনলাইন ফর্মটি পূরণ করুন অথবা আমাদের অফিস থেকে সংগ্রহ করুন

যাচাইকরণ

আপনার এলাকার কমিটি আপনার তথ্য যাচাই করবে এবং সাক্ষাৎকার নিতে পারে

অনুমোদন

কমিটি অনুমোদন দিলে আপনাকে সদস্যপদ নিশ্চিতকরণ বার্তা পাঠানো হবে

সদস্যপদ কার্ড

অনুমোদনের পর আপনার সদস্যপদ কার্ড ইমেইলে ও মোবাইলে পাঠানো হবে

সদস্যতা ফর্ম

সঠিক তথ্য প্রদান করুন। ভুল তথ্য দিলে সদস্যপদ বাতিল হতে পারে।

ব্যক্তিগত তথ্য

সদস্যতা তথ্য

১০০ টাকা

সাধারণ সদস্যপদের বার্ষিক ফি। অনুমোদনের পর পেমেন্ট প্রক্রিয়া জানানো হবে।

অঙ্গসংগঠন সমূহ

আপনার বয়স ও পেশা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অঙ্গসংগঠনে সরাসরি যোগ দিন

ছাত্র অধিকার পরিষদ

স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য। শিক্ষার অধিকার ও ছাত্র কল্যাণে কাজ করে।

যুব অধিকার পরিষদ

১৮-৩৫ বছর বয়সী যুবক-যুবতীদের জন্য। কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন ও যুব নেতৃত্ব গঠনে কাজ করে।

মহিলা অধিকার পরিষদ

নারী অধিকার, নারী নিরাপত্তা ও নারী নেতৃত্ব উন্নয়নে কাজ করে। সকল বয়সের নারীদের জন্য উন্মুক্ত।

পেশাজীবী অধিকার পরিষদ

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, আইনজীবীসহ সকল পেশাজীবীদের জন্য। পেশাগত অধিকার রক্ষায় কাজ করে।

প্রবাসী অধিকার পরিষদ

বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশীদের জন্য। প্রবাসী অধিকার, সমস্যা সমাধান ও দেশে বিনিয়োগে সহায়তা করে।

কৃষক অধিকার পরিষদ

কৃষক, ক্ষেতমজুর ও কৃষি সংশ্লিষ্টদের জন্য। কৃষকের অধিকার, ন্যায্য মূল্য ও কৃষি উন্নয়নে কাজ করে।

সদস্যতা সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর

সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর

সদস্য হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স কত?

সাধারণ সদস্য হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। তবে ১৬-১৮ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীরা ছাত্র অধিকার পরিষদের মাধ্যমে যুক্ত হতে পারেন।

সদস্য হওয়ার পর কি ফিরতি সুযোগ আছে?

হ্যাঁ, সদস্য হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে আপনি লিখিতভাবে পদত্যাগ করতে পারেন এবং সদস্যপদ ফি ফেরত পেতে পারেন। ৭ দিন পরে ফি ফেরতযোগ্য নয়।

সদস্যপদ কার্ড কতদিনে পাবো?

আবেদন অনুমোদনের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডিজিটাল সদস্যপদ কার্ড ইমেইলে পাঠানো হবে। ফিজিক্যাল কার্ড পেতে ৩০ কার্যদিবস সময় লাগতে পারে।

একাধিক অঙ্গসংগঠনের সদস্য হতে পারবো কি?

প্রাথমিকভাবে একটি অঙ্গসংগঠনের সদস্য হওয়া যায়। তবে বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক অঙ্গসংগঠনের কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া যেতে পারে।

সদস্য হওয়ার পর দায়িত্ব কী কী?

সদস্যদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে: দলের আদর্শ প্রচার, নিয়মিত সভায় অংশগ্রহণ, সদস্যপদ ফি প্রদান, নির্বাচনে ভোটদান এবং দলের নির্দেশনা অনুসরণ করা।